নববর্ষে কী ভাবে সাজাবেন আপনার ঘর?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিমা ডেস্ক(১৪ এপ্রিল) :: চৈত্রের দাবদাহ কাটিয়ে নতুন বছর আসছে। পয়লা বৈশাখে নতুন জামাকাপড় পরার রেওয়াজ আছে অনেক বাড়িতেই।

এ ছাড়া ভালো-মন্দ রান্না করার চলও আছে। অনেকে আবার নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে অন্দরসজ্জাতেও নতুনত্বের ছোঁয়া আনেন।

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের প্রথম দিনটিকে রাঙিয়ে তুলতে আপনার ঘরটিকে কী ভাবে সাজিয়ে তুলবেন, রইল তার একগুচ্ছ টিপস।

আলপনা ও প্রবেশপথের সজ্জা:

Entrance Gate Decoration on Bengali New Year

নববর্ষের সূচনায় প্রবেশপথের গুরুত্ব অপরিসীম। দরজার বাইরে খড়িমাটি বা অ্যাক্রেলিক লাল-সাদা রঙের আলপনা দিতে পারেন।

এ ছাড়া মাটির পাত্রে জল রেখে তার মধ্যে নানা ধরনের ফুলের পাপড়ি ছড়িয়ে রাখা যেতে পারে। ভাসমান মোমবাতি সাজিয়ে রাখলে ঘরে ঢোকার সময় এক মনোরম আবহ তৈরি হবে।

সাবেকি কাপড়ের ব্যবহার:

interior decoration for bengali new year

কুশন কভার বা জানলার পর্দায় আনতে পারেন ঐতিহ্যের ছোঁয়া। সিল্ক, তাঁত বা জামদানি বা আসমের বিখ্যাত মুগার কাজ করা কুশন কভার এবং সুতির পর্দা ব্যবহার করুন। এই বৈশাখে উজ্জ্বল হলুদ, লাল বা সাদার উপর সুতোর কাজ করা লিনেন ফেব্রিক আপনার বসার ঘরকে এক অন্য মাত্রা দেবে।

মাটির সামগ্রী ও কাঁসার বাসন:

New Year Decoration

বাঙালির ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তুলতে বসার ঘরের টেবিলে রাখতে পারেন মাটির ছোট ছোট পুতুল, শোপিস বা বাঁকুড়ার বিখ্যাত পোড়ামাটির ঘোড়া। ডাইনিং টেবিলে খাবার পরিবেশনের ক্ষেত্রে কাঁসা বা পিতলের বাসন ব্যবহার করলে নববর্ষের ভোজের আভিজাত্য বহুগুণ বেড়ে যায়।

ইন্ডোর প্ল্যান্ট এবং টাটকা ফুল:

urli decoration for bengali new year

বসন্তের বিদায় এবং গ্রীষ্মের আগমনে ঘরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে ইন্ডোর প্ল্যান্টের বিকল্প নেই। জানলার ধারে, সাজগোজের টেবিলে মানিপ্ল্যান্ট বা স্নেক প্ল্যান্ট রাখতে পারেন। এ ছাড়া ঘরকে সুগন্ধি রাখতে রজনীগন্ধা, জুঁই বা টাটকা যে ফুলের স্টিক ফুলদানিতে সাজিয়ে রাখা যায়।

আলোকসজ্জা:

New year decoration with diya, flower

উৎসবের রাত মানেই আলোর রোশনাই। তবে নববর্ষে খুব কড়া লাইটের বদলে ব্যবহার করুন ওয়ার্ম হোয়াইট (Warm White) বা হালকা হলদেটে আলোর ল্যাম্প। মাটির প্রদীপ বা টেরাকোটার ছোট ছোট ল্যাম্প দিয়ে ঘর সাজালে অন্দরমহলের সাবেকিয়ানা এবং আভিজাত্য বজায় রাখবে।

สล็อตเว็บตรง