হিন্দু ধর্মে সীতা নবমীর মাহাত্ম্য ও পুজোর বিধি : রাম নবমীর ন্যায় গুরুত্ব একইরকম

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিমা ডটকম(২০ মে) :: বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে পুষ্প নক্ষত্রে সীতার আবির্ভাব হয়েছিল। তাই এই দিনটিকে সীতা নবমীতে জানকী নবমী (sita navami) বলা হয়।

হিন্দু ধর্মে সীতা নবমী এবং রাম নবমীর (lord ram) একইরকম মাহাত্ম্য এবং গুরুত্ব রয়েছে। সীতা নবমীতে মাতা সীতার বিশেষ পুজো অর্চনার (sita navami) এবং আরাধনার বিধি রয়েছে।

হিন্দু শাস্ত্রে মনে করা হয় যে এই বিশেষ দিনের সীতার পুজো করলে জীবনের সমস্ত বাধা বিপত্তি দূর হয়ে যায়। এই বছর ২০শে মে সীতা নবমী পালিত হচ্ছে।

তবে এই তিথি (sita navami) ২০ শে মে দুপুর ১২:২৫ মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে। তা ২১ শে মে অর্থাৎ শুক্রবার বেলা ১১:১০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে বলে জানা গেছে।

যারা সূর্যোদয় তিথি মানেন তারা ২১ শে মে সীতা নবমী (sita navami) পালন করতে পারেন। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে দেবী সীতা দুপুরবেলায় আবির্ভূত হয়েছিলেন এই পৃথিবীতে।

পুজোর মাহাত্ম্য: লোকবিশ্বাস বলে যে মাতা সীতার পুজো করলে নিজের মায়ের শারীরিক এবং মানসিক সমস্ত রোগ এবং পারিবারিক বিবাদ মিটে যেতে পারে।

দেবী সীতাকে আবার মা লক্ষ্মীর রূপ হিসেবে মান্যতা দেওয়া হয়। ধার্মিক বিশ্বাস অনুযায়ী এই দিনটিতে ব্রত (fasting) এবং পুজো পাঠ করতে পারলে জীবনের সমস্ত পাপ মুছে যায়।

যারা এই দিন বিশেষত ব্রত রাখেন (fasting) এবং ভক্তিভরে পুজো করেন তারা মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হন না।

পুজোর বিধি: এদিন সীতার মূর্তি বা ছবিটি পরিষ্কার করে নিজের শুদ্ধমনে মাতা সীতাকে নানা অলংকার দিয়ে সাজিয়ে তাকে পুজো করা হয়।

ধান, ধূপ, প্রদীপ, লাল ফুলের মালা, গাঁদা ফুল এবং মিষ্টি মায়ের পায়ে অর্পণ করে পুজো করতে হয়।

তিলের তেল বা শুদ্ধ দেশি ঘি দিয়ে প্রদীপ জ্বালানো উচিত এবং “ওম শ্রী সীতা নমঃ” এই মন্ত্র জপ করে পুজো করতে হয়।

পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানের উচিত মায়ের সামনে বসে নিজের মায়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করা। লাল ফুলের মালা এবং গাঁদা ফুল দিয়ে এই দিন সীতার পাশাপাশি ভগবান শ্রী রামের পুজোও করতে হয় এই দিন।