মা “চন্দ্রঘন্টা”র পুজো করলে জীবন থেকে চিরতরে বিদায় নেবে কষ্ট ও দুঃখ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিমা ডটকম(১৫ এপ্রিল) :: নবরাত্রির তৃতীয় দিন ভয় থেকে মুক্তি এবং অপার সাহস লাভের জন্যে পুজো করা হয় মায়ের। এই দিন দেবী দুর্গার “চন্দ্রঘণ্টা” রূপের আরাধনা করা হয়ে থাকে। তার মাথায় থাকে অর্ধ চন্দ্র। তাই তার এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।

মা দুর্গার মতই তার দশ হাতে দশটি অস্ত্র থাকে। তিনি যুদ্ধের ভঙ্গিমায় থাকেন আসীন। মা চন্দ্রঘণ্টা তন্ত্র সাধনার ক্ষেত্রে মনিপুর চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করেন।

মানা হয় যে বাহন বাঘের উপর বসে থাকা মায়ের এই রূপের পুজো করলে ভক্তদের জীবন থেকে চিরতরে বিদায় নেবে কষ্ট ও দুঃখ। তার পুজো করলে মনের শান্তি লাভ হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে দেবী চন্দ্রঘণ্টার যোগ মঙ্গল গ্রহের সঙ্গে করা হয়।

মায়ের পুজোর বিধি: দেবীর পুজোর সময় লাল বস্ত্র পরিধান করা শুভ বলে মনে করা হয়।

মাকে লাল ফুল, রক্ত চন্দন আর লাল ওড়না প্রদান করা হয়। তার পুজোয় মন থেকে ভয় দূরে সরে যায়। এইদিন পুজোর সময় কিছু অদ্ভুত কোনো সিদ্ধি লাভ হলো বলে মনে হলে তাতে মন না দিয়ে নিজের মত সাধনা করে চলা উচিত।

বলা হয় কুন্ডলীতে মঙ্গল দুর্বল থাকলে বা কুন্ডলীতে মঙ্গলের কোনো দোষ থাকলে এই পুজো বিশেষ ফল দিতে পারে সাধককে। পুজোর সময়ে শুদ্ধ মনে প্রথমে মায়ের মন্ত্র জপ করুন ও পরে “ওম অ অঙ্গারকায় নমঃ” মন্ত্রটি বলবেন।

মায়ের বিশেষ ভোগ: প্রতিটি দেব দেবীর পুজোর ভোগ আলাদা হয়। বলা হয় যে নির্দিষ্ট দেবী বা দেবতার জন্যে নির্দিষ্ট ভোগ দানের মাধ্যমেই ভক্তরা তাদের মনের শ্রদ্ধা অর্পণ করে সেই দেবী বা দেবতার পায়ে। মা চন্দ্রঘণ্টাকে সন্তুষ্ট করতে দুধ বা দুধের কোনো মিষ্টি ভোগ হিসেবে বানান ও মায়ের পায়ে সমর্পণ করুন। সেই প্রসাদ মাকে দিয়ে নিজেও খান ও পরিজনদের মধ্যেও ভাগ করে দিন। এই ভোগ মাকে প্রদান করলে মা সন্তুষ্ট হবেন ও আপনার জীবনের যাবতীয় কষ্ট সরে গিয়ে সুখ আসবে।